কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১০ আগস্ট, ২০২৫ এ ১০:৪২ AM
কন্টেন্ট: পাতা
রেফারেল ব্যবস্থাঃ ইতিমধ্যে প্রণয়নকৃত রেফারেল কৌশল ব্যবহারের মাধ্যমে কমিউনিটি ক্লিনিক হতে রেফারেল ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ (সিসি হতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং কিছু ক্ষেত্রে ডাক্তার থাকা সাপেক্ষে ইউনিয়ন সাব-সেন্টারে)।
মনিটরিং ও সুপারভিশনঃ টেকনিক্যাল সুপারভিশনের মাধ্যমে মনিটরিং ও সুপারভিশন ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। টেকনিক্যাল সুপারভিশনের জন্য একটি চেকলিষ্ট প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলা ব্যবস্থাপকদের এই চেকলিষ্ট ব্যবহার বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন প্রদান করা হয়েছে। এই চেকলিষ্ট ব্যবহার করে সিসি সুপারভিশন এবং এর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষন, ফিডব্যাক ও শেয়ারিং এর মাধ্যমে সিসি হতে প্রদত্ত সেবার গুনগত মান বৃদ্ধি সম্ভব হবে। একই সাথে সাধারণ চেকলিষ্ট যাতে মূলত প্রশাসনিক ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয় অর্ন্তভুক্ত, ব্যবহার করে সিসি মনিটরিং ও সুপারভিশন চলমান থাকবে।
হেলথ আউটকাম পরিমাপঃ পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সিসি সংলগ্ন এলাকার খানাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে এবং এই তথ্য সিসি’তে সেবাদানের তথ্যের সাথে তুলনামূলক বিশ্লেষনের মাধ্যমে সেবা গ্রহণে সমতা, প্রবেশযোগ্যতা ও সেবা কেন্দ্রের সুষম ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে কিনা তা যাচাই করা হবে। এক্ষেত্রে কোন বাধা থাকলে তা দূরীকরণের পথ বের করা।
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০ - ২০২৫) সেক্টর ১০ এর স্বাস্থ্য টেবিল- ১০:২ এর লক্ষ্যমাত্রায় উল্লিখিত ১৬টি সূচকের মধ্যে ১১টি সূচক কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত; যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-
মাতৃ মৃত্যু হার হ্রাস;
শিশু মৃত্যু ও অপুষ্টি হ্রাস;
নবজাতকের মৃত্যু হ্রাস;
সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক সনাক্তকরণ ও রেফারেল;
অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক সনাক্তকরণ ও রেফারেল;
পরিবার পরিকল্পনা সেবার আওতা বৃদ্ধি;
স্বাস্থ্য শিক্ষা ও কাউন্সেলিং;
কিশোর-কিশোরী স্বাস্থ্য ইত্যাদি